সরিষা ফুলের মধু ১ কেজি
650.00৳
Details:
সরিষা ফুলের মধু (Raw Mustard Honey)
প্যাকেজিং: ওয়াইড মাউথ জার (বড় মুখের বয়াম)
বিবরণ: এটি আমাদের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে সংগ্রহ করা একদম র’ (Raw) বা কাঁচা সরিষা ফুলের মধু। আমরা এটি তরল অবস্থায় জারে ভরছি, তবে আপনার হাতে পৌঁছাতে পৌঁছাতে বা কিছুদিন ঘরে রাখার পর এটি জমে যেতে পারে।
কেন বড় মুখের জারে দিচ্ছি?
চিকন মুখের বোতলে মধু জমে গেলে সেটা বের করা বেশ কষ্টসাধ্য। তাই আপনাদের সুবিধার কথা ভেবে আমরা এটি বড় মুখের জারে (Wide Mouth Jar) দিচ্ছি। জারের মুখ বড় হওয়ায় আপনি অনায়াসেই চামচ দিয়ে ঘি বা আইসক্রিমের মতো তুলে খেতে পারবেন।
মধু কেন জমে যায়? (সায়েন্স যা বলে):
অনেকে ভাবেন, মধু জমে যাওয়া মানেই চিনি বা ভেজাল। এটি ভুল ধারণা! বিজ্ঞানমতে, সরিষা ফুলের মধুতে প্রাকৃতিকভাবেই ‘গ্লুকোজ’-এর পরিমাণ ফ্রুক্টোজের চেয়ে বেশি থাকে। আর গ্লুকোজের ধর্মই হলো তাপমাত্রা কমলে দ্রুত জমে যাওয়া। তাই সরিষার মধু জমে যাওয়াটাই এর খাঁটি হওয়ার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
| Weight | 1 kg |
|---|---|
| Quantity |
1 kg ,500 gm |
Description
সরিষা ফুলের মধু
সরিষা ফুলের মধু বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় এবং পুষ্টিগুণসম্পন্ন প্রাকৃতিক মধু। শীতকালে সরিষা ক্ষেত ফুলে উঠলে মৌমাছিরা সেই ফুল থেকে রস সংগ্রহ করে এই বিশেষ মধু তৈরি করে।
উৎপত্তি ও সংগ্রহকাল
শীতের শুরুতে (নভেম্বর–জানুয়ারি) যখন সরিষা ক্ষেত হলুদ ফুলে ভরে যায়, তখন মৌচাষিরা ক্ষেতের পাশে মৌবাক্স স্থাপন করেন। মৌমাছি সরিষা ফুলের নেকটার সংগ্রহ করে মধু তৈরি করে। বাংলাদেশের মানিকগঞ্জ, মাদারীপুর, রাজশাহী ও সুন্দরবন অঞ্চল এই মধুর প্রধান উৎপাদনস্থল।
বৈশিষ্ট্য
রং ও গন্ধ ঘন সোনালি থেকে হালকা হলুদ রঙের। সরিষা ফুলের মিষ্টি সুবাস বিদ্যমান।
স্বাদ হালকা তীক্ষ্ণ ও মিষ্টি — অন্যান্য মধুর চেয়ে একটু আলাদা স্বাদ।
জমে যাওয়ার প্রবণতা সরিষার মধুতে গ্লুকোজের পরিমাণ বেশি থাকায় এটি শীতকালে বা ঠান্ডায় দ্রুত ক্রিস্টালাইজ (জমে) হয়ে যায় — এটি নকল মধুর লক্ষণ নয়, বরং খাঁটি মধুর প্রমাণ।
